মডিউল ১: অধ্যায় ০১ - ০৫ (ভিত্তি স্থাপন)
আরবী ভাষায় অর্থবোধক শব্দকে কালিমাহ (الكلمة) বলা হয়। মানুষের মুখ দিয়ে নির্গত প্রতিটি অর্থপূর্ণ ধ্বনিই হলো কালিমাহ। ইংরেজি গ্রামারে পার্টস অফ স্পীচ ৮ প্রকার হলেও আরবী ব্যাকরণে একে প্রধানত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই তিনটি প্রকারের মাধ্যমেই সমগ্র আরবী ভাষা গঠিত।
কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম। (Noun/Adjective)
যাতে কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় এবং সময় থাকে। (Verb)
যা অন্য শব্দ ছাড়া নিজের অর্থ পুরোপুরি দেয় না। (Particle)
১. মুহাম্মাদ
২. সে সাহায্য করেছে
৩. মধ্যে / ভেতরে
৪. মক্কা শহর
৫. সে পড়ছে / পড়বে
আরবী বর্ণমালার ২৮টি বর্ণকে 'আল' (ال) যুক্ত করার সময় উচ্চারণের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এটি সঠিক উচ্চারণের জন্য অপরিহার্য।
এখানে 'লাম' উচ্চারিত হয় না, পরের বর্ণে তাশদীদ হয়। বর্ণসংখ্যা ১৪টি।
ت ث د ذ ر ز س ش ص ض ط ظ ل ن
এখানে 'লাম' স্পষ্ট উচ্চারিত হয়। বর্ণসংখ্যা ১৪টি।
ا ب ج ح خ ع غ ف ك م و ه ي
১. সূর্য (আশ-শামসু)
২. চাঁদ (আল-কমারু)
৩. ব্যবসায়ী (আত-তাজিরু)
৪. বাগান (আল-জান্নাতু)
৫. কাপড় (আস-সাওবু)
ইসম-কে তার নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতার ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এটি ইংরেজি 'A' এবং 'The' এর ব্যবহারের মতো।
১. নাকিরা (النكرة): সাধারণ কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝায়। শব্দের শেষে তানউইন (ً ٍ ٌ) থাকে। যেমন: قَلَمٌ (একটি কলম)।
২. মারিফা (المعرفة): নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝায়। শব্দের শুরুতে 'আল' (ال) যুক্ত হয় এবং শেষে তানউইন উঠে গিয়ে একটি হরকত হয়। যেমন: الْقَلَمُ (কলমটি)।
আরবী ভাষায় ইসম লিঙ্গভেদে দুই প্রকার: মুজাক্কার (পুংলিঙ্গ) এবং মুয়ান্নাস (স্ত্রীলিঙ্গ)।
১. শব্দের শেষে গোল তা (ة): অধিকাংশ মুয়ান্নাস শব্দের শেষে এটি থাকে। যেমন: مَدْرَسَةٌ
২. প্রকৃত স্ত্রীবাচক: মানুষ বা প্রাণীর ক্ষেত্রে যারা বাস্তবে নারী। যেমন: أُمٌّ (মা), بِنْتٌ (মেয়ে)।
৩. জোড়া জোড়া অঙ্গ: শরীরের যেসব অঙ্গ দুটি করে আছে। যেমন: يَدٌ (হাত), عَيْنٌ (চোখ)।
৪. দেশ ও শহরের নাম: ভৌগোলিক স্থানের নাম সাধারণত মুয়ান্নাস হয়। যেমন: مِصْرُ (মিশর)।
১. মুসলিম (পুরুষ) → মুসলিম (নারী)
২. সুন্দর (পুং) → সুন্দর (স্ত্রী)
৩. বাবা → মা (প্রকৃত লিঙ্গ)
৪. পা (জোড়া অঙ্গ হিসেবে মুয়ান্নাস)
৫. মক্কা শহর (স্থানের নাম)
হারফুল জার হলো এমন কিছু হরফ যা কোনো ইসমের আগে বসে এবং ওই ইসমের শেষ অক্ষরে জের (কাসরা) প্রদান করে। আরবী সাহিত্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
১. ঘরের মধ্যে
২. টেবিলের উপরে
৩. মসজিদ থেকে
৪. বাজারের দিকে
৫. কলম দিয়ে (বি)
আরবী জুমলা ইসমিয়্যাহ (বিশেষ্যমূলক বাক্য) এর দুটি প্রধান অংশ থাকে: মুবতাদা এবং খবর। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে।
মুবতাদা (المبتدأ): যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় (Subject)। এটি সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে এবং মারিফা (নির্দিষ্ট) হয়।
খবর (الخبر): মুবতাদা সম্পর্কে যা বলা হয় (Predicate)। এটি সাধারণত নাকিরা (অনির্দিষ্ট) হয়।
আল্লাহ মহান
বাড়িটি সুন্দর
ছাত্রটি মেধাবী