আরবি ব্যাকরণ প্রোফেশনাল

মডিউল ২: অধ্যায় ০৬ থেকে ১০ (পূর্ণাঙ্গ গাইড)

উন্নত টপিক বিশদ বিশ্লেষণ

০৬. ইশমুল ইশারাহ ও মুশারুন ইলাইহি

কাছের বা দূরের কোনো বস্তুকে নির্দেশ করার জন্য যে ইসম ব্যবহৃত হয় তাকে ইসমুল ইশারাহ (Demonstrative Pronoun) বলে। আর যাকে নির্দেশ করা হয় তাকে মুশারুন ইলাইহি বলে।

১. নৈকট্য (Near)

কাছের কিছুর জন্য: هَذَا (এটি - পুং), هَذِهِ (এটি - স্ত্রী)।

২. দূরত্ব (Far)

দূরের কিছুর জন্য: ذَلِكَ (ওটি - পুং), تِلْكَ (ওটি - স্ত্রী)।

এটি একটি কলম

هَذَا قَلَمٌ

এই কলমটি (মুশারুন ইলাইহি)

هَذَا الْقَلَمُ

০৭. দমীর (Pronouns) - মুনফাসিল ও মুত্তাসিল

দমীর বা সর্বনাম দুই প্রকারের হয়:

১. দমীরুন মুনফাসিল (বিচ্ছিন্ন)

আরবীঅর্থ
أَنَاআমি
نَحْنُআমরা
أَنْتُمْতোমরা

২. দমীরুন মুত্তাসিল (সংযুক্ত)

আরবীঅর্থ
ـنَاআমাদের (যেমন: رَبُّنَا)
ـكَতোমার (যেমন: بَيْتُكَ)
ـهَاতার (স্ত্রী)

০৮. ইসমুন মাউসুলাহ (Relative Pronouns)

যে সব ইসম দুটি বাক্যকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাদের ইসমুল মাউসুলাহ বলে (যেমন: যিনি, যারা, যা)।

যিনি / যে (পুং)

الَّذِي

যিনি / যে (স্ত্রী)

الَّتِي

উদাহরণ: আমি তাকে চিনি যে গিয়েছে

الَّذِي ذَهَبَ

০৯. মাউসুফ ও সিফাত (Adjective Phrases)

যখন কোনো ইসমের দোষ বা গুণ বর্ণনা করা হয়, তাকে সিফাত বলে এবং যার গুণ বর্ণনা করা হয় তাকে মাউসুফ বলে।

শর্তসমূহ:

মাউসুফ ও সিফাত ৪টি বিষয়ে মিল থাকতে হবে: ১. লিঙ্গ, ২. বচন, ৩. নির্দিষ্টতা (মারিফা/নাকিরা), ৪. এরব (হরকত)।

একটি সুন্দর বাগান

جَنَّةٌ جَمِيلَةٌ

ভালো ছাত্রটি

الطَّالِبُ الصَّالِحُ

১০. মুদাফ ও মুদাফুন ইলাইহি (Idhafah)

মালিকানা বা সম্বন্ধ বোঝাতে ইদাফাত ব্যবহৃত হয়। এর দুটি অংশ থাকে:

  • মুদাফ: যেটির মালিকানা বোঝানো হচ্ছে। এতে ال এবং তানউইন হয় না।
  • মুদাফুন ইলাইহি: যে মালিক। এটি সব সময় মাজরুর (জের বিশিষ্ট) হয়।
মনে রাখবেন: মুদাফ কখনও 'আল' গ্রহণ করে না, কিন্তু মুদাফুন ইলাইহি মারিফা বা নাকিরা হতে পারে।

আল্লাহর কিতাব

كِتَابُ اللَّهِ

মসজিদের দরজা

بَابُ الْمَسْجِدِ