মডিউল ৩: অধ্যায় ১১ থেকে ১৫ (বিশাল কন্টেন্ট গাইড)
আরবী ব্যাকরণে ইসমের শেষের অবস্থার পরিবর্তনকে এরব বলা হয়। বাক্যে শব্দের ভূমিকা অনুযায়ী এই পরিবর্তন ঘটে। এটি প্রধানত তিন প্রকার:
কর্তা হিসেবে বসলে ইসম মারফু হয়। এর প্রধান চিহ্ন হলো পেশ বা যম্মাহ।
كِتَابٌ
কর্ম হিসেবে বসলে ইসম মানসুব হয়। এর প্রধান চিহ্ন হলো যবর বা ফাতহাহ।
كِتَابًا
হারফুল জার বা মুদাফুন ইলাইহি হিসেবে বসলে মাজরুর হয়। এর চিহ্ন জের বা কাসরা।
كِتَابٍ
১. মারফু (ফায়েল)
জায়েদ এসেছে।
২. মানসুব (মাফউল)
আমি জায়েদকে দেখেছি।
৩. মাজরুর (ইদাফাত)
জায়েদের কলম।
৪. মানসুব (ইন্না এর ইসম)
নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে।
৫. মাজরুর (হারফুল জার)
মসজিদের মধ্যে।
আরবী ভাষায় বচন বা আদাদ তিন প্রকার। ইংরেজি বা বাংলার মতো শুধু একবচন ও বহুবচন নয়, আরবীতে 'দ্বিবচন' এর জন্য আলাদা রূপ রয়েছে।
| প্রকার | সংজ্ঞা | উদাহরণ (পুং) | উদাহরণ (স্ত্রী) |
|---|---|---|---|
| মুফরাদ (একবচন) | একটি মাত্র ব্যক্তি বা বস্তু | مُسْلِمٌ | مُسْلِمَةٌ |
| মুসান্না (দ্বিবচন) | দুটি বোঝাতে শেষে 'আনি' (انِ) যোগ হয় | مُسْلِمَانِ | مُسْلِمَتَانِ |
| জু'মা (বহুবচন) | দুইয়ের অধিক বোঝাতে | مُسْلِمُونَ | مُسْلِمَاتٌ |
দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে আতফু বলা হয়। যে হরফ দিয়ে যুক্ত করা হয় তাকে 'হারফুল আতফ' বলে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, সংযোজিত শব্দ (মাতুফ) তার আগের শব্দের (মাতুফ আলাইহি) এরব অনুসরণ করে।
এখানে 'মুহাম্মাদ' মাতুফ আলাইহি এবং 'জায়েদ' মাতুফ। যেহেতু মুহাম্মাদ মারফু, তাই জায়েদও মারফু হয়েছে।
আরবী ক্রিয়া বা ফেল অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত। প্রতিটি ফেল একটি মূল ধাতু (Root Letters) থেকে উৎপন্ন হয়। কালের ভিত্তিতে ফেল ৩ প্রকার:
অতীতকালে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়। যেমন: نَصَرَ (সে সাহায্য করেছে)।
সে (পুং)
তারা ২ (পুং)
তারা সব (পুং)
তুমি (পুং)
আমি
বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কালে কোনো কাজ হওয়া বোঝায়। যেমন: يَنْصُرُ (সে সাহায্য করছে/করবে)।
সে একটি চিঠি লিখেছে।
সে বাজারের দিকে যাচ্ছে।
তোমার বই পড় (আমর)।
আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন।
তিনি জানেন যা আসমানে আছে।